পাবলিক বাসে শেরপুর থেকে ঢাকায় আসলেন মতিয়া চৌধুরী

22

নিজের সদাসতর্ক অবস্থান তাঁকে দিয়েছে রাজনীতির পরিচ্ছন্ন নেত্রীর খ্যাতি। রাজপথের অগ্নিঝরা আন্দোলন-সংগ্রাম আর জেল-জুলুম-নির্যাতনও কম সহ্য করেননি। এর বদৌলতে দেশ-বিদেশে ‘অগ্নিকন্যা’ খ্যাতিও পেয়েছেন। ক্ষমতাধর হলেও থেকেছেন একেবারেই নির্লোভ-নির্মোহ। কোনো লোভ-লালসা তাঁকে টলাতে পারেনি

নির্লোভ, নির্মোহ ও সাদামাটা জীবনাচরণে অভ্যস্ত এক ব্যতিক্রমী রাজনীতিকের নাম মতিয়া চৌধুরী। সরকারের ও দলের মুখ্য ব্যক্তিদের মধ্যে অন্যতম হলেও সর্বদাই নিজেকে প্রকাশ করেন সাধারণের মতোই।

গত কয়েক মাস ধরেই শেরপুর থেকে পাবলিক বাসে ঢাকায় ফিরছেন কৃষি মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির সভাপতি ও সাবেক কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী এমপি।

বৃহস্পতিবার জেলার নালিতাবাড়ী ও নকলা উপজেলায় মেধাবী শিক্ষার্থী, দরিদ্র অসহায় শীতার্ত মানুষ ও বিভিন্ন ধর্মীয় নেতাদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ শেষে সোনার বাংলা বাসে চড়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে বের রওয়ানা দেন তিনি। এমনই একটি ছবি ঘুরছে ফেসবুকজুড়ে।

বাসে জানালার পাশে বসা মতিয়া চৌধুরীর সেই ছবিটি ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে বিশিষ্ট সাংবাদিক মন্জুরুল আহসান বুলবুল লিখেছেন, মতিয়া আপার বাসায় একবার আমার যাওয়ার সুযোগ হয়েছিল। তার রাজনৈতিক দর্শন বা ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ নিয়ে কথা হতেই পারে। কিন্তু তার সততা সাদামাটা জীবন এগুলো নিয়ে মুগ্ধ হওয়া ছাড়া উপায় নেই। আর এ সাধারণ জীবনযাপনই তাকে অসাধারণ করে তুলেছে। জানি বিলাসী জীবনযাপন করা রাজনীতিবিদরা তাদের কাছ থেকে কিছু শিখবে না। সৈয়দ আশরাফ, মতিয়া চৌধুরীদের জন্য তাই আজীবন ভালোবাসা।