কর্ণফুলী ড্রাই ডকের স্ক্র্যাপ যাচ্ছে এইচএম স্টীলে, সড়কে বেড়েছে জনদূর্ভোগ..!

19
চট্টগ্রাম কর্ণফুলী প্রতিনিধি : আনোয়ারার পিএবি সড়কে তুলনামূলকভাবে গাড়ি চলাচলের চাপ আগে থেকেই। এই সড়কে গণ পরিবহন বাস, টেম্পু, অটোরিকশা ও মানুষের চলাচল ছাড়াও ট্রাক, লরি আগের চেয়ে অনেকটাই বেশি দৃশ্যমান। এর মধ্যে কর্ণফুলী ড্রাই ডকের স্ক্র্যাপ পরিবহন ট্রাক চলাচলে জনদূর্ভোগ বেড়েছে আগের চেয়ে অনেকগুণ বেশী।
সরেজমিনে রবিবার (২০ জুন) দেখা যায় সকাল থেকে রাত পর্যন্ত জ্যাম লেগে থাকে পিএ বি (পটিয়া-আনোয়ারা-বাঁশখালী) সড়ক ও সিইউএফএল সড়কে। ট্রাফিক পুলিশের ঘাম জড়ানো চেষ্টাতেও কাজ হচ্ছে না। জ্যামের কারণ খুঁজতে গিয়ে দেখা যায়, সড়কের মাঝ পথে একটি বাসের চাকা নষ্ট হয়ে সড়কের মাঝখানেই দাঁড়ানো।
এই বিষয়ে বাসের চালক জসিম উদ্দীনেরর সঙ্গে কথা হয়। তিনি জানান, জ্যাম না হয়ে কি হবে? বিগত মাস তিনেক ধরে কর্ণফুলী ড্রাই ডকের স্ক্র্যাপ পরিবহন ট্রাকগুলো এই সড়কে চলাচল করছে। এমনিতে এই সড়কে কাফকো, সিইউএফএল, কেইপিজেড এর সমস্ত গাড়ির চাপ আগে থেকেই এর মধ্যে ড্রাই ডকে দৈত্য আকার ট্রাকগুলো, এতে তেমন সমস্য হতো না। কিন্তু এরা স্ক্র্যাপ গুলো লোড করার পর উপরে কোন প্রকার সেভটি না করে সড়কে চলাচল করে। এতে স্ক্র্যাপের কিছু অংশ সড়কে পড়ে, এই গুলোতে অন্য গাড়িরও চাকা প্রায় সময় নষ্ট হয়। এই বাস চালক প্রতিবেদককে বলেন শুধু এখানে আমার গাড়ির চাকা নষ্ট হয়েছে তা নই আপনি পিএবি সড়ক টা একটু মইজ্জ্যার টেক পর্যন্ত ঘুরে আসুন দেখবেন স্ক্রাপের লোহার টুকরো পড়ে থাকার কারণে এরকম তিন চারটা গাড়ির চাকা নষ্ট হয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছে।
চাতরী চৌমুহনী এলাকার ব্যবসায়ী নুরুল আমিন বলেন, স্ক্র্যাপের গাড়িগুলো এই সড়কে চলাচলের পর থেকে এই সড়কে জ্যাম ও জনদূর্ভোগ বেড়েছে অনেকগুণ। আমরা সাধারণ মানুষ কি করব দূর্ভোগ পোহানো তো আমাদের নিত্য দিনের অভ্যাস করে নিতে হচ্ছে।
এই প্রসঙ্গে কর্ণফুলী ড্রাই ডকের ম্যানেজার কামরুল হাসান বলেন, আমরা স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধির সঙ্গে কথা বলেই এই সড়ক দিয়ে স্ক্র্যাপ পরিবহন গুলো এইচ এম স্টীল মিলকে স্ক্রাপগুলো দেওয়া হয়। জন দূর্ভোগের কথা তুলে ধরলে তিনি জানান, এই ব্যাপারে আপনি পরিচালকের সাথে যোগাযোগ করেন।
এদিকে পিএবি সড়কের চাতরী চৌমুহনী বাজারের ট্রাফিক বক্সের ইনচার্জ হাবিব হাসান জানান, এই সড়কে এমনিতেই গাড়ির চাপ অনেক। ইদানিং কিছু স্ক্র্যাপ পরিবহনের কারণে এই সড়কে দূর্ভোগ বেড়েছে।