রাজবাড়ীতে নদী ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেছে উপমন্ত্রী এনামুল হক শামিম

12
শামিম বিশ্বাস, রাজবাড়ীঃ আইডি নংঃ ১০১৫
রাজবাড়ী শহররক্ষা বাঁধ ও দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় ভাঙন কবলিত স্থান পরিদর্শন করলেন পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী ও আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এ কে এম এনামুল হক শামিম। এ সময় তিনি সবার উপস্তিতে নিজের ব্যক্তিগত ফোন নাম্বার দিয়ে অভিযোগ জানাতে বলেন।
সোমবার (৯ আগষ্ট) বিকেলে ৫ টায় রাজবাড়ী শহরক্ষা বাঁধ গোদারবাজার এলাকা পরিদর্শন করেন তিনি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন রাজবাড়ী -১ আসনের সংসদ সদস্য কাজী কেরামত আলী, জেলা পুলিশ সুপার এম শাকিলুজ্জামান, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী ইরাদত আলী প্রমুখ।
এসময় তিনি ভাঙন এলাকা ঘুরে দেখেন, পরে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন এমনকি তিনি বলেন আওয়ামীলীগের সরকার সব সময় মানুষের জন্য কাজ করে। এই এলাকায় ভাঙন ঠেকাতে স্থায়ী সমাধানের জন্য দ্বিতীয় পর্যায়ের সাড়ে চার কিলোমিটারে ৩৭৬ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়। তবে সেটা কেনো কাজে আসে নাই তা খতিয়ে দেখা হবে। যদি কোন অনিয়ম হয়ে থাকে কাজে তবে অবশ্যই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আরো বলেন অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা, সেন্টিকেট বালু ব্যবসায়ীদের দ্বারা, অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করার ফলে, নদী ভাঙ্গন আরো ব্যাপক বৃদ্ধি পাচ্ছে, তাই রাজবাড়ী পুলিশ সুপার ও রাজবাড়ী জেলা প্রশাসকের এটি কঠোর হাতে নির্মূল করার নির্দেশনা দিয়েছেন।
উল্লেখ্য ২০১৯ এর জুলাইয়ে শুরু হওয়া (প্রথম সংশোধিত) শহর রক্ষা বাঁধের গোদার বাজার অংশের আড়াই কিলোমিটারসহ মোট সাত কিলোমিটার এলাকায় ৪৫২ কোটি টাকা ব্যায়ে প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। এতে দ্বিতীয় পর্যায়ের সাড়ে চার কিলোমিটারে ৩৭৬ কোটি ও প্রথম সংশোধিত ১৫২৭ মিটারে ৭৬ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়।
তবে কাজ শেষ হওয়ার কিছু দিন পর শুরু হয় ভাঙন এতে বিলীন হতে থাকে কংক্রিটের তৈরি হাজার হাজার সিসি ব্লক। গত ১৬ জুলাই (শুক্রবার) গোদার বাজার চরসিলিমপুর এলাকায় ২০ মিটার ও গত ২৭ জুলাই (মঙ্গলবার) গোদারবাজার এনজিএল ইট ভাটার পাশে প্রায় ২০০ মিটার এলাকায় নদী ভাঙন হয়।সর্বশেষ গত ৭ আগস্ট শনিবার গোদারবাজার থেকে ২০০ গজ সামনে চর ধুঞ্চি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কাছে নদী ভাঙনে ৪০ মিটার এলাকার কংক্রিটের তৈরি সিসি ব্লক নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।