মাস্কের কার্যকারিতা নিরূপণে পরীক্ষা

2

স্কুলগুলো খুলে যাচ্ছে, বিনোদন পার্ক অতিথিদের স্বাগত জানাচ্ছে আর রেস্টুরেন্টে রাতের খাবারের জন্য বের হচ্ছে মানুষজন। বিশ্বব্যাপী মানুষ যখন স্বাভাবিক জীবনে ফেরার চেষ্টা করছে তখনো কিন্তু করোনাভাইরাস মহামারীর গতি কোনোভাবেই কমেনি।

সংকটময় এ সময়ে ভাইরাসের বিস্তার থামানোর জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হলো মাস্ক। তাই ডিউক ইউনিভার্সিটির একদল গবেষক বিভিন্ন ধরনের মাস্কের কার্যকারিতা বিশ্লেষণের জন্য একটি কৌশল আবিষ্কার করেছেন।

ডিউক ইউনিভার্সিটির এক অধ্যাপক একটি গ্রুপকে মাস্ক কিনতে সাহায্য করছিলেন, যে মাস্কগুলো বিতরণ করা হয় নির্দিষ্ট একটি সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে। অধ্যাপক চাইছিলেন, গ্রুপ কর্তৃক ক্রয়কৃত মাস্কগুলো যেন প্রকৃতপক্ষেই কার্যকর হয়। সেই থেকেই অনুসন্ধানের শুরু।

নিয়মিত কথা বলার সময় শ্বাসযন্ত্রের ড্রপলেট ছড়ায় কিনা তা গবেষণার জন্য একটি সাধারণ পদ্ধতির উদ্ভাবন করেছে ডিউক ইউনিভার্সিটির পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ। মাস্কের কার্যকারিতা পরীক্ষার জন্য তারা লেজার বিম আর মোবাইল ফোন ব্যবহার করেছে।

গবেষক দলের অন্যতম মার্টিন ফিশার বলেন, ‘আমরা একটি ব্ল্যাক বক্স, একটি লেজার আর একটি ক্যামেরা ব্যবহার করেছি। লেজার বিমকে উলম্বভাবে বাড়িয়ে আলোর একটি পাতলা পাতের মতো তৈরি করা হয়, যা বক্সের বাম ও ডান প্রান্তের ছিদ্র দিয়ে আমরা উজ্জ্বল করি।’

বক্সের সামনে রয়েছে একটি ছিদ্র, যেখানে একটি স্পিকার দিয়ে ভেতরে কথা বলা যায়। লাইট রেকর্ড করার জন্য বক্সের পেছনে রাখা হয় একটি সেলফোন ক্যামেরা। মানুষ কথা বলার সময় শ্বাসযন্ত্র থেকে যে ড্রপলেট বের হয় তাদের গতিপথ অনুসারে আলোকে ছড়িয়ে দেয়া হয়। এরপর ভিডিওতে ধারণ করা ড্রপলেটগুলো কম্পিউটারের গণিতের সাহায্যে গণনা করা হয়।