বঙ্গবন্ধুর শাহাদাৎ বার্ষিকীতে, শোক বার্তা জানিয়েছে ইউনুস আলী বিশ্বাস (মাস্টার)

7
শামিম বিশ্বাস, রাজবাড়ীঃ-আইডি নংঃ ১০১৫
ইউনুস আলী বিশ্বাস (মাস্টার) যুগ্মসাধারণ সম্পাদক পাট্টা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ।
সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক পাট্টা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ।
সাবেক সাধারণ সম্পাদক পাট্টা ইউনিয়ন ছাত্রলীগ পাংশা রাজবাড়ী।
সিনিয়র সহ-সভাপতি সামাজিক ও আইন বিষয়ক মানব অধিকার সংস্থা রাজবাড়ী জেলা। ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী।
৪৬ তম শাহাদাৎ বার্ষিকীতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার পরিবারের সকল সদস্যদের ও সকল শহীদদের গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি ও এক শোক বার্তা জানিয়েছে। শেখ সোহেল রানা টিপু।
এই শোক বার্তায় তিনি বলেন। তুমিই স্বাধীনাতা, তুমিই বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছিল খুদা দরিদ্র মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার। তার এই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে তারই কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা দিন রাত কাজ করে যাচ্ছে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভোরে। শেখ মুজিবুর রহমানকে তার ধানমন্ডি ৩২ নাম্বার বাসভবনে সপরিবারে হত্যা করে। হত্যাকাণ্ডটি বাংলাদেশের আদর্শিক পটপরিবর্তন বলে বিবেচিত। বর্তমানে ১৫ ই আগস্ট বাংলাদেশের ‘জাতীয় শোক দিবস’ হিসেবে পালিত হয়। তিনি আরো বলেন। ১৫ আগস্ট বাঙ্গালির শোকের দিন। জাতির ইতিহাসের কলঙ্কময় দিন। ১৯৭৫ সালের এদিন ভোরে একদল বিপথগামী সেনার হাতে নিহত হয়েছিলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ঘাতকরা শুধু বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেই ক্ষান্ত হয়নি, তার শিশু পুত্র শেখ রাসেলসহ অন্য দুই ছেলে, স্ত্রী, ছোট ভাইসহ অন্যান্য স্বজনদেরও হত্যা করে। বঙ্গবন্ধুর অন্য দুই সন্তান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার ছোট বোন শেখ রেহানা জার্মানিতে থাকায় প্রাণে বেঁচে যান।
সেদিন ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাড়িতে নিহত হন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, বঙ্গবন্ধুর স্ত্রী শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, পুত্র শেখ কামাল, শেখ জামাল, শেখ রাসেল, শেখ কামালের স্ত্রী সুলতানা কামাল, জামালের স্ত্রী রোজী জামাল, বঙ্গবন্ধুর ভাই শেখ নাসের, বঙ্গবন্ধুর নিরাপত্তা কর্মকর্তা কর্নেল জামিল, এসবি অফিসার সিদ্দিকুর রহমান, সেনা সদস্য সৈয়দ মাহবুবুল হক। প্রায় একই সময়ে ঘাতকরা বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে ও যুবলীগ নেতা শেখ ফজলুল হক মণির বাসায় হামলা চালায়। এসময় নিহত হন শেখ ফজলুল হক মণি, তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আরজু মণি। একই সময় বঙ্গবন্ধুর ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াতের বাসায় হামলা করে সেরনিয়াবাত ও তার কন্যা বেবী, পুত্র আরিফ সেরনিয়াবাত, নাতি সুকান্ত বাবু, আবদুর রব সেরনিয়াবাতের বড় ভাইয়ের ছেলে সজীব সেরনিয়াবাত এবং এক আত্মীয় বেন্টু খানকে হত্যা করা হয়।
কী ঘটেছিল পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট রাতে বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে? ১৪ আগস্ট সন্ধ্যারাত পর্যন্তও ভিড় ছিল সেখানে। ছিল অনেক লোকজনের আনাগোণা। ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুর যাওয়ার কথা ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষ সমাবর্তন অনুষ্ঠানে। তার প্রস্তুতিও চলছিল। রাত গড়াতে থাকলে একে একে প্রায় সবাই বিদায় নেন।