আইয়ূব আলীর দশম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে নাগরপুরে অসহায় মানুষের মাঝে বস্ত্র বিতরণ

12
ডা.এম.এ.মান্নান,আইডি নং-৮১৩ নাগরপুর(টাংগাইল)প্রতিনিধি: টাংগাইলের নাগরপুরে মুকতাদির হোমিও চিকিৎসা কেন্দ্রের উদ্যোগে দুয়াজানী কলেজ পাড়া জামে মসজিদের সাবেক সভাপতি, বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ মরহুম আইয়ূব আলীর দশম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে নাগরপুরের দশজন অসহায় মানুষের মাঝে বস্ত্র বিতরণ করা হয়।
আজ মংগলবার,৬ অক্টোবার ২০২০ খ্রি.দুপুর ২.০০ টায় মুকতাদির হোমিও চিকিৎসা কেন্দ্রে বস্ত্র বিতরণ কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয়।
বস্ত্র বিতরণ ও দোয়া মাহফিলের মাধ্যমে মাস ব্যাপি কর্মসৃচীর শুভ উদ্বোধন ঘোষনা করা হয়।
মাস ব্যাপি কর্মসৃচী পালন বিষয়ে জানতে চাইলে আইয়ূব আলীর নাতি ও আইয়ূব আলী দশম মৃত্যুবার্ষিকী বাস্তবায়ন পরিষদের আহবায়ক ডা.এম.এ.মান্নান বলেন-আমার দাদা মরহুম আইয়ূব আলী ছিলেন একজন খাঁটি ইমানদার ও পরহেজগার মানুষ। তিনি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ইসলামী দাওয়াত সকল মানুষের কাছে পৌছিয়ে দিয়েছিলেন। তিনি নিয়মিত ৫ ওয়াক্ত নামায জামাতের সহিত আদায় সহ নিয়মিত তাহাজ্জত ও অন্যন্য প্রয়োজনীয় আমল করতেন। তিনি নিয়মিত ফজর নামায আদায় করতেন সকালে গোসলের মাধ্যমে যা নাগরপুর বাসী এখনো বলে। অনেকেই বলে মান্নান তোমার দাদা যত শীত আসুক বা বন্যার পানি দিয়ে সারা গ্রাম ভরে যাক তবুও সকালে গোসল করবে তারপর মসজিদে গিয়ে ফজর নামায জামাতের সহিত আদায় করবে। আমরাও তাই দেখছি। দাদা সব সময় অসহায় মানুষকে নিয়ে ভাবতেন তাদের পাশে দাড়াতেন। আমার নিজস্ব উদ্যোগে আমার সেবামূলক প্রতিষ্ঠানসমূহ আমার দাদার মৃত্যুবার্ষিকী নানান কর্মসূচির মাধ্যমে পালন করবে তারই অংশ হিসাবে আজ নাগরপুরের দশ জন অসহায় মানুষের মাঝে বস্ত্র বিতরণ করা হয়।আমি নাগরপুরের সর্বস্বরের মানুষের কাছে সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি এবং সবাই কাছে আমার দাদার জন্য দোয়া করার আহবান করছি। মহান আল্লাহ যেন আমার দাদ দাদিকে জান্নাত নসিব করেন,আমিন।
উল্লেখ্য ২০১০ সালে ৩১ অক্টোবার সকালে আমার প্রিয় দাদা মরহুম আইয়ূব অালী নিজ বাসভবনে আমাদের কাছ থেকে চির বিদায় অথাৎ মহান আল্লাহ ডাকে সাড়া দিয়ে চলে গেছেন। তিনি দুই ছেলে, দুই মেয়ে, নাতি পতি সহ অংসখ্যক শুভাকাঙ্ক্ষী রেখে গেছেন।