ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আবু-হানিফ নোমান ৬৪ জেলা বাইসাইকেলে ভ্রমণ করলেন

21
মোঃ আরিফ ইমতিয়াজ ,
আইডি নং ৪২৩,
আশুগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধিঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের জামিয়া সিরাজিয়া দারুল উলুম ভাদুঘর থেকে দাওরায়ে হাদিস পড়াশোনা শেষ করেছেন। পড়াশোনা শেষ করে আর বসে থাকেননি। অনেকটা শখের বশে বাইসাইকেল নিয়ে বেড়িয়েছিলেন দেশ ভ্রমণে। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মাঝে পরিবেশ বিষয়ে সচেতনতামূলক বার্তা পৌঁছিয়ে দিতে। অবশেষে মাত্র ৪২ দিনে আবু-হানিফ নোমান ৬৪ জেলা বাইসাইকেল চালিয়ে ভ্রমণ শেষ করেছেন। আবু হানিফ নোমান ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার নোয়াগাঁও গ্রামের মো. কামাল হোসেনের ছেলে।
আবু-হানিফ নোমান চলতি বছরের ১-নভেম্বর বন্দরনগরী চট্টগ্রাম থেকে বাইসাইকেল নিয়ে যাত্রা শুরু করেন। তারপর ফেনী জেলা, কুমিল্লা জেলা, ঢাকা জেলাসহ সবকটি জেলা ভ্রমণ করেন। সর্বশেষ গত ১২ ডিসেম্বর কক্সবাজার পৌঁছেছেন তিনি। বর্তমানে কক্সবাজার অবস্থান করছেন নোমান।
সবুজ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে বিভিন্ন স্লোগানকে সামনে রেখে বাংলাদেশের ৬৪ জেলায় বাইসাইকেল ভ্রমণ করেছেন আবু হানিফ নোমান। তার স্লোগানের মধ্যে ছিল গাছ লাগান-পরিবেশ বাঁচান, একটি করে ফলজ ও বনজ গাছ লাগান-অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ হউন, পলিথিন ও ওয়ান টাইম প্লাস্টিক পণ্য ব্যবহার পরিহার করুন, ড্রেনে বর্জ্য ফেলা পরিহার করুন, ডাস্টবিন বা নির্দিষ্ট স্থানে বর্জ্য ফেলুন, দূষিত ও অপরিশোধিত বর্জ্য নদীতে ফেলা বন্ধ করুন, কল কারখানার দূষণ রোধ করুন, ইট-ভাটার দূষণ রোধ করুন ও পরিবহণের ক্ষতিকর দূষণ রোধ করুন।
আবু-হানিফ জানান, দাওরায়ে হাদিস পরীক্ষা শেষে শখের বশে আমি ৬৪ জেলায় সাইকেল দিয়ে ভ্রমণ করেছি। এই ভ্রমন করতে আমার মাত্র সাড়ে ১০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। অধিকাংশ জেলায় আমি সরকারি সার্কিট হাউসে রাত্রি যাপন করেছি। এছাড়াও বিভিন্ন জেলায় বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয় ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের বাড়িতেও রাত্রি যাপন করেছি। ৩৭ দিনে আমি ৬৪ জেলায় ভ্রমণ করেছি আমি। বিভিন্ন জেলায় রাত্রি যাপন করার কারণে আমার ৪২দিন লেগেছে। সর্বশেষ পার্বত্য জেলাগুলো ভ্রমণ শেষ করে আমি কক্সবাজারে এখন আছি। আমার জন্য সবাই দোয়া করবেন।
আবু-হানিফ নোমান আরও বলেন, ভ্রমণকালে বিভিন্ন জেলায় আমি পরিবেশ রক্ষায় আমাদের করণীয় নিয়ে সচেতনতামূলক প্রচার করার চেষ্টা করেছি। এই দেশ আমাদের, আমরা সচেতন হলেই পরিবেশ রক্ষাকরা অনেকটা সম্ভব হবে। আমি কৃতজ্ঞতা জানাবো যারা আমাকে এই কাজে সহায়তা করেছেন ।